আশরাফুলের হাতে বল দিয়ে উদ্ভট আউটের শিকার ডি ভিলিয়ার্স!

ফিচার

ক্রিকেটে যত উদ্ভট আউট কিংবা আউট হয়েও আউট না হওয়া এমন দুটি ঘটনার সাক্ষী হিসেবে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। দুটি ঘটনাতেই সৌভাগ্যবান তিনি। ২০০৫ সালে ট্রেন্ড ব্রিজে অভিষিক্ত ক্রিস ট্রেমলেটের হ্যাটট্রিক বল স্টাম্পে লেগেও বল না পড়ায় বেঁচে যান আশরাফুল। আরেকবার বোলার হিসেবে ঘরের মাঠে ডি ভিলিয়ার্সকে উদ্ভট আউট করেছিলেন অ্যাশ।

২০০৭ সালটি আশরাফুলের জন্য শুধু দুটি বিশ্বকাপের কারণে স্মরণীয় নয়, রয়েছে আরো কিছু কারণও। সেই বছর তিনি জিতেছিলেন গ্রামীণফোন-প্রথম আলো বর্ষসেরা খেলোয়ারের পুরষ্কার। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পেয়েছিলেন এশিয়া একাদশে নির্বাচিত হবার সম্মান। আইপিএলের নিলামেও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কিনে নেয় অ্যাশকে। 

ক্রিকেট মাঠে তার বছর তিনি একটি বিচিত্র ঘটনার সাক্ষীও হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে একটি বিচিত্র আউটের ঘটনা ঘটে। ডি ভিলিয়ার্সের বিপক্ষে বল করছিলেন আশরাফুল। এক পর্যায়ে একটি শর্ট পিচ বলের গতি এতটাই কম হয় যে, সেটি ভিলিয়ার্স পর্যন্ত পৌছাতে দুবার বাউন্স করে।

এরপর ভিলিয়ার্স সেটিকে নো বল ভেবে হাত দিয়ে ধরে আশরাফুলের দিকে ছুঁড়ে মারেন। আশরাফুল বলটি ক্যাচ নিয়ে আবেদন করলে আম্পায়ার স্টিভ বাকনার আউট ঘোষণা করেন!

আম্পায়ার স্টিভ বাকনার সেই সময় অনেক ভুল ডিসিশনের জন্য সমালোচিত হলেও পরে অবশ্য জানা যায় ডি ভিলিয়ার্সে আউটটি সঠিক ছিল। কারণ আইসিসির ক্রিকেট আইনের ২৪.৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নো বল হতে হলে বলটিকে দুবারের অধিক বাউন্স করতে হত!

সেই সময় বাউন্ডারি লাইনের পিছনে তার কয়েকজন সতীর্থের সাথে বসে গ্রায়েম স্মিথ এই সিদ্ধান্তে নিজের অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। ৪৬ রানে ব্যাট করা ডি ভিলিয়ার্স আম্পায়ারদের সাথে কথা বলার পর প্যাভিলিয়নে ফিরে হাঁটা শুরু করেন।

তবে পরে ডি ভিলিয়ার্স স্বীকার করেছিলেন যে তিনি আইনটি জানেন। “আমি এই বিধি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম তবে আমি আশা করছিলাম যে কেউ এটিকে নো-বল বা যাই হোক না কেন ডাকবেন,” তিনি বলেছিলেন। “আমার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো আমি এই এমন উদ্ভট আউটের শিকার হই।”

ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ডেলিভারি; সৌভাগ্যবান আশরাফুল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *