ধোনির যে কাজটি ভালো লাগলোনা ইনজামামের

ক্রিকেট

ভারতের ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। ভারতকে এনে দিয়েছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি, জিতিয়েছেন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও। ভারতের কোন অধিনায়কের এতো অর্জন নেই। কিন্তু এতো বড় একজন ক্রিকেটার বিদায় নিলেন নিরবে নিভৃতে।

কোটি কোটি ভক্তের হয়ত আষা ছিল মাঠ থেকে প্রিয় অধিনায়ককে বিদায় দিবেন। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। তাইতে ধোনিকে সেরা ক্রিকেটার মানলেও তার অবসরের ধরনটা ভালো লাগেনি পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ইনজামামের।

সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ধোনির অবসরের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘দুনিয়াজুড়ে ধোনির কোটি কোটি ভক্ত আছে, যারা তাকে মাঠে দেখতে পছন্দ করে। আমি মনে করি এত বড় মাপের একজন ক্রিকেটারের বাড়িতে বসে অবসরে যাওয়া ঠিক হয়নি। মাঠ থেকেই অবসর নেওয়া উচিত ছিল।’

ভারতের আরেক সেরা ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার ২০১৩ সালে বিপুল দর্শকের সামনে জীবনের শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন। তুমুল দর্শক করতালির ওই বিদায় একজন ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় সম্মান মনে করেন ইনজামাম। সেই সাথে ধোনিরও এমনিভাবেই অবসর নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন তিনি।

ইনজামাম বলেন,  ‘শচিন টেন্ডুলকারেরকেও আমি একটা কথা বলেছিলাম। এত ভক্ত অনুসারী যার আছে তার মাঠ থেকে খেলা ছাড়া উচিত।  মাঠ থেকেই তো এই সম্মান, এই খ্যাতি মিলেছে।ধোনিও এভাবে অবসর নিলে আমি খুশি হতাম, ভক্তরা খুশি হতো। ধোনি ভারতের সেরা অধিনায়ক।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিলেন ইনজামামও। ধোনির বর্ণিল ক্যারিয়ারের খুঁটিনাটি জানা তার ভালোভাবেই। অবসরের ধরন ভালো না লাগলেও ধোনি যে কত বড় ক্রিকেটার তার ব্যাখ্যা দিতে অনেক শব্দ খরচ করেছেন পাকিস্তানের অনেক সাফল্যের নায়ক ইনজামাম, ‘ধোনি খুব ঘন সেঞ্চুরি করত তা না, কিন্তু এমন সব ইনিংস খেলত যে ম্যাচ জিতে জেট। একাই জিতিয়ে দিত। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে রান তাড়ায় চারে গিয়ে জিতিয়ে দিল, কতটা আত্মবিশ্বাস ছিল তার।’

‘সে প্রচণ্ড বুদ্ধিদীপ্ত একজন ক্রিকেটার। সে অনেক তরুণকে গড়ে তুলেছে। সুরেশ রায়না, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ধোনির গড়ে তোলা। খেলাটা গভীরভাবে বুঝত ধোনি’– যোগ করেন ইনজামাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *