শিরোপা জেতার সাথে যেসব রেকর্ড গড়ল বায়ার্ন

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ক্লাব ফুটবল

পিএসজির স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার ঘরে তুললো বায়ার্ন মিউনিখ। রবিবার রাতে পর্তুগালের লিসবনে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজিকে ১-০ গোলে হারায় হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। একমাত্র গোলটি করেন কিংসলে কোমান।

ইতিহাস গড়া এই জয়ে অনেক রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে বায়ার্ন। ম্যাচে রেকর্ড হয়েছে আরো বেশ কয়েকটি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ম্যাচের নানা মাইলফলকগুলো-

রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতল বায়ার্ন মিউনিখ

জার্মান জায়ান্টরা ছুঁয়ে ফেলল লিভারপুলকে (৬)। এই দুই দলের চেয়ে বেশি ইউরোপ সেরার মুকুট পড়েছে কেবল রিয়াল মাদ্রিদ (১৩) ও এসি মিলান (৭)।

শতভাগ জয়ের রেকর্ড

ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে বায়ার্ন মিউনিখ একমাত্র ক্লাব যারা এক আসরে সবগুলো ম্যাচই জিতল। ১১ ম্যাচের সব কটি জিতে অপরাজিত চ্যাম্পিয় হয়েছে বায়ার্ন।

অপরাজিত ৩০ আর টানা ২১ জয়

নিজেদের শেষ ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থেকে ২০১৯-২০ মৌসুম শেষ করল বায়ার্ন মিউনিখ। যার মধ্যে ২৯টিতেই এসেছে জয়, ১টিতে ড্র। আর সব প্রতিযোগিতা মিলে শেষ ২১ ম্যাচই তারা শেষ করল জয় দিয়ে।

বায়ার্নের ৫০০ গোলের রেকর্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মাত্র তৃতীয় ক্লাব হিসেবে ৫০০ গোলের কীর্তি গড়ল বায়ার্ন। তাদের চেয়ে বেশি গোল কেবল বার্সেলোনা (৫১৭) ও রিয়াল মাদ্রিদের (৫৬৭)।

কিংসলে কোমানের রেকর্ড

মাত্র পঞ্চম ফরাসি খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে গোল করলেন কিংসলে কোমান। এর আগে যে কীর্তি গড়তে পেরেছিলেন কেবল করিম বেনজেমা (২০১৮), জিনেদিন জিদান (২০০২), মার্সেল ডেসাইলি (১৯৯৪) ও বাসিলে বোলি (১৯৯৩)।

ফ্লিকের রেকর্ড

৫৫ বছর ১৮১ দিন বয়সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পেলেন বায়ার্ন কোচ হ্যান্স ফ্লিক। তারচেয়ে বেশি বয়সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন মাত্র তিন জন।

১৯৯৩ সালে মার্শেইকে ৭১ বছর বয়সে চ্যাম্পিয়ন করেন রিমন্ড গোয়েথালসের। ২০১৩ সালে ইয়ুপ হেইঙ্কেস বায়ার্নকে চ্যাম্পিয়ন করেন ৬৮ বছর বয়সে। আর স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ১৯৯৯ সালে ৫৭ বছর ও ২০০৮ সালে ৬৬ বছর বয়সে ম্যান ইউনাইটেড কে চ্যাম্পিয়ন করেন।

এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরে নিজেদের শেষ ১০ ম্যাচে বায়ার্নের গোল ৪২টি। এক আসরে তাদের বেশি গোল করার ঘটনা আছে মাত্র একটিই। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে বার্সেলোনা ১৬ ম্যাচে ৪৫ গোল করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *