চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতলেন মেসি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরের সেরা গোল হিসেবে মনোনীত হয়েছে লিওনেল নাপোলির বিপক্ষে ঘরের মাঠে মেসির করা বা পায়ের অসাধারন গোলটি। দর্শকদের ভোটে সেরা নির্বাচিত হয়েছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোল, অপরদিকে টেকনিক্যাল পর্যবেক্ষকরা বেছে নিলেন লিওনেল মেসির গোলকে।

করোনা পরবর্তী সময়ে ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মাঠে নেমেই শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে নাপোলির বিপক্ষে ৩-১ গোলে জেতে বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুয়ের সেই ম্যাচের ২৩তম মিনিটে মেসির করা দুর্দান্ত গোলটি পেল আসর সেরার স্বীকৃতি।

আক্রমনভাগের সতীর্থ সুয়ারেজের বাড়ানো বল ধরে দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে বক্সে ঢোকার পর প্রতিপক্ষের ট্যাকলে পড়ে যান মেসি। কিন্তু দমে যাননি এই তারকা। দ্রুতই উঠে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই জনের মাঝ দিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল খুঁজে নেনে এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

শেষ আটের খেলায় বার্সেলোনার বিপক্ষে বায়ার্নের বিশাল জয়ের ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের করা গোলটি আছে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। অবশ্য শুধু নিখুঁত টোকা দেওয়ার কাজটুকুই করেছিলেন তিনি। বাম দিক দিয়ে একে একে বার্সেলোনার তিন জনকে কাটিয়ে বাইলাইনের একটু ওপর দিয়ে ছুটে গিয়ে কিমিখকে বলটা বাড়িয়েছিলেন আলফোনসো ডেভিস।

গ্রুপ পর্বে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ডাইনামো জাগরেবের দানি ওলমোর গোলটি তালিকায় তৃতীয় এবং স্লাভিয়া প্রাহার বিপক্ষে ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্টিনেজের চমৎকার ভলিতে পাওয়া গোলটি রয়েছে চতুর্থ স্থানে।

গ্রুপ পর্বে আরেক ম্যাচে টটেনহ্যাম হটস্পারের মাঠে ৭-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে জেতে বায়ার্ন। হ্যাটট্রিকসহ চার গোল উপহার দেন সের্গে জিনাব্রি। ওই ম্যাচে তার বাঁ দিক দিয়ে একক প্রচেষ্টায় আক্রমণে উঠে করা গোলটি আছে পঞ্চম স্থানে।

সেরা দশে জায়গা পেয়েছে লাইপজিগের মার্সেল সাবিতজার, বার্সেলোনার লুইস সুয়ারেস, জুভেন্টাসের ডগলাস কস্তা, আয়াক্সের হাকিম জিয়েখ ও পিএসজির ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপের গোল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *