সাকিব বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার: ডি ভিলিয়ার্স

বাংলাদেশ ক্রিকেট

নিঃসন্দেহে সময়ের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে কিংবা বল হাতে সমানে লড়ে যাচ্ছেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপে চোখ ধাঁধান পারফর্ম করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সাকিবকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকেফ্রেঞ্জির লকডাউন লাইভে আজ (১০ সেপ্টেম্বর) অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন প্রোটিয়া অন্যতম সেরা ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স। সেখানে আলোচনার এক পর্যায়ে সাকিবের প্রসংশা করতে গিয়ে তাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার বলেন মি.৩৬০ ডিগ্রী খ্যাত এই ক্রিকেটার।

এ প্রসঙ্গে ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমি সবসময়ই সাকিবকে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে গণ্য করি অবশ্যই। বিশেষ করে ব্যাটসম্যান হিসেবে। অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে যাদের মধ্যে অলরাউন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর অলরাউন্ডাররা শুধু ব্যাটিংয়ে করে না। তাঁরা সব ক্ষেত্রেই ভালো করে। তাঁরা ৬ কিংবা ৭ নম্বরে ব্যাটিং করতে পারে আবার ৫,৬, ৭ নম্বরেও করতে পারে। একই সঙ্গে বোলিংও করতে পারে। এটাই হলো একজন অলরাউন্ডার।’

বিশ্বকাপে সাকিবের ব্যাটিং পজিশনের পরামর্শটা দিয়েছিলেস ডি ভিলিয়ার্সই। মুলত ডি ভিলিয়ার্স মনে করেন, বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান যদি হতে হয় টপ ফোরে ব্যাট করতে হবে। আর সাকিবকে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মনে হওয়াতেই তিনি এ পরামর্শ দেন। এ দিক থেকে তিনি সাকিবের সাথে নিজেরও মিল খুঁজে পান।

ভিলিয়ার্সের ভাষ্যে, ‘আমিও অনেকটা এমনই ছিলাম। কারণ আমি উইকেটরক্ষকের ভূমিকা পালন করতাম, আবার ব্যাটিংয়ে নামতাম। তবে সাকিব একজন অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যানের চেয়েও ভালো কিছু। এটাই মূলত আমি তাঁকে বলেছিলাম। আমি মনে করি বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানরা টপ ফোরে খেলে থাকে। আর আপনি যদি বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হতে চান তাহলে আপনাকে এর মধ্যে খেলতে হবে এবং চাপ মাথায় নিয়ে ব্যাটিং করতে হবে। তাহলে পরবর্তী লেভেলে আপনার ব্যাটিং নিয়ে যেতে পারবেন।’

তার পরামর্শে বিশ্বকাপে তিন নম্বরে ব্যাটিং করে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০০ এর বেশি রান ও ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন সাকিব। আর সাকিবের এমন পারফরম্যান্স দেখে খুশি হয়েছিলেন এবি ডি।

ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমি মোটেই অবাক হইনি সাকিবকে তিন নম্বরে সেরা খেলাটা খেলতে দেখে। সে চাপের মুখে খেলেছে, তাঁর স্কিল রয়েছে এবং আমি অনেক খুশি হয়েছি যে সে এই সুযোগটি পেয়েছে। আপনি অবশ্য টেস্ট ফরম্যাটে দেখবেন যে সে কত কম রান দিল কিংবা কত ওভার করলো, তিন নম্বরে ব্যাটিং করতে পারবে কিনা, ৪০ ওভার বোলিং করতে পারবে কিনা। তবে এগুলো অন্য বিষয়। সে যেভাবে অস্বাচ্ছন্দ্যের জায়গায় খেলেছে এবং ভালো করেছে সেটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *