শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচালো স্পেন

উয়েফা নেশন্স লিগ

নেশন্স লিগের ম্যাচে কোনরকম ড্র করেছে স্পেন। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লুইস এনরিকের দল।

প্রতিপক্ষের মাঠে শুরুতে বল দখলে এগিয়ে থাকা স্পেনই পায় প্রথম ভালো সুযোগ। সতীর্থের ব্যাক হিলে ডি-বক্সে বল পান ফেররান তরেস। ম্যানচেস্টার সিটির অরক্ষিত এই ফরোয়ার্ড শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে।

প্রতি-আক্রমণনির্ভর ফুটবল খেলা সুইজারল্যান্ড ১৯তম মিনিটে প্রায় এগিয়েই যাচ্ছিল। ফাবিয়ান রুইসের ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান জেরদান শাকিরি। দারুণ দক্ষতায় লিভারপুল ফরোয়ার্ডের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক উনাই সিমোন।

ম্যাচের ২৬তম মিনিটে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। সের্হিও রামোসকে এড়িয়ে চমৎকার কাট ব্যাকে ফ্রাউলারকে খুঁজে নেন ব্রিল এমবোলো। অরক্ষিত ফ্রাউলার দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল পাঠান ঠিকানায়।

৩৮তম মিনিটে ফাবিয়ানের দূরপাল্লার শট ঝাঁপিয়ে কোনোমতে ঠেকান সুইস গোলরক্ষক। সাত মিনিট পর একইভাবে ব্যর্থ করে দেন মিকেল ওইয়ারজাবালের বুলেট গতির শট। কর্নার থেকে সুযোগ পেয়েছিলেন সার্জিও রবার্তো। অরক্ষিত এই ডিফেন্ডার পারেননি শট লক্ষ্য রাখতে।

৫৫তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে ব্যবধান প্রায় বাড়িয়ে ফেলছিল সুইজারল্যান্ড। বেশ এগিয়ে যাওয়া কিপারকে এড়িয়ে শট নেন সেফেরোভিচ। গোললাইন থেকে ফিরিয়ে স্পেনের ত্রাতা রামোস।

দুই মিনিট পরে সমতা আনার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার। তার দুর্বল স্পট কিক ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়ান সমের।

৭৯তম মিনিটে বড় একটা ধাক্কা খায় সুইজারল্যান্ড। আলভারো মোরাতাকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন নিকো এলভেদি। দ্বিতীয় পেনাল্টি পায় স্পেন।

ইউরোপের হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়া রামোস এবারও ব্যর্থ স্পট কিক থেকে গোল করতে। ঠিক যেন আগের শটের পুনরাবৃত্তি। আগেরবারের চেয়েও সহজেই তার শট ফেরান সমের।

২০১০ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে একমাত্র জয় পাওয়া সুইজারল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে ৩ পয়েন্টের আশায় ছিল। ৮০তম মিনিটে বদলি নামা মোরেনো ভাঙেন তাদের স্বপ্ন। বাঁ দিক থেকে সার্জিও রেগুলিওনের ক্রস থেকে বুলেট গতির শটে জাল খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড।

পাঁচ ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে নেমে গেছে স্পেন। দিনের অন্য ম্যাচে ইউক্রেনকে ৩-১ গোলে হারানো জার্মানি ৯ পয়েন্ট নিয়ে উঠে গেছে শীর্ষে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ইউক্রেন, ৩ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে সুইজারল্যান্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *