বিমানের যাত্রী ক’রোনা পজিটিভ, কোয়ারেন্টিনে ৪৭ খেলোয়াড়

Uncategorized

জৈব সুরক্ষা’ বলয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজন করার জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে এর মাঝেই আঘাত হেনেছে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ের আক্রান্ত হওয়ার খবর না এলেও তাদের বহনকারী দুটি চার্টাড বিমানের তিন যাত্রীর রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ৪৭ জন খেলোয়াড়কে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

এতে আগেই তিন সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়া আসরটির পরিবর্তিত সূচিতেও আয়োজন নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

খেলোয়াড়, কোচ ও অফিসিয়ালদের ভাড়া করা বিমানে করে নিয়ে আসা হচ্ছে মেলবোর্নে। আগামী ৮ ফেব্রয়ারি সেখানেই শুরু হওয়ার কথা বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম। তার মধ্যে লস এঞ্জেলস ও আবু ধাবি থেকে আসা দুটি বিমানের তিন জন যাত্রী কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার পর সবাইকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

প্রতিযোগিতার আয়োজক ও দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, কোয়ারেন্টিনের কেউ হোটেল রুমের বাইরে বের হতে পারবেন না। অনুশীলন করতে পারবেন না খেলোয়াড়রা।

স্বাস্থ্যা কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লস এঞ্জেলস থেকে আসা বিমানের দুজনের ও আবু ধাবি থেকে আসা বিমানের একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

স্থানীয় পত্রিকার বরাত দিয়ে ইএসপিএন এফসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লস এঞ্জেলস থেকে আসা বিমানে ছিলেন ইউএস ওপেনের পুরুষ এককের ২০১৪ আসরের রানার্সআপ কেই নিশিকোরি ও দুবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা।

দুবার কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার পর নেগেটিভ হয়েই বিমানে উঠেছিলেন নিশিকোরি।

২০১২ ও ২০১৩ আসরের নারী এককের চ্যাম্পিয়ন আজারেঙ্কা শুক্রবার মেলবোর্নে পৌঁছে টুইটারে লেখেন, “মেলবোর্নে পৌঁছেছি। এই পরিস্থিতিতেও এই আয়োজনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। এখানে আমাদের নিয়ে আসতে কত মানুষের কতই না পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ধন্যবাদ।”

কোভিড মহামারীর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় অন্য দেশের মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর মাঝেও প্রতিযোগিতাটি আয়োজনের লক্ষ্যে ১৫টি চার্টার্ড বিমানে করে টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট সবাইকে এত আগে মেলবোর্নে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *