কোয়ারেন্টিনের মধ্যেও রুমেই মুশফিকের কঠোর অনুশীলন (ভিডিও)

বাংলাদেশ ক্রিকেট

ক্রাইস্টচার্চের ‘শ্যাডো বাই পার্ক’ হোটেল এখন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম এবং মাহমুদল্লাহ রিয়াদদের ঠিকানা! করোনার কারণে নিউজিল্যান্ডে ওই পাঁচতারকা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন খেলোয়াড়-স্টাফরা।


বাংলাদেশের ওয়ানডে আর টি- টোয়েন্টি দলের জন্য কিউইরা কঠোর কোভিড-১৯ প্রটোকল প্রয়োগ করেছে। সেই প্রটোকলে প্রথম ছয় দিন হোটেল থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদিও ৪৮ ঘন্টা বাদে আজ ৩০-৪০ মিনিট হোটোলের আশে পাশে ঘুরার সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিকেটাররা।

তবে হোটেল বন্দী হলেও রুমে কঠোর অনুশীলনের মধ্যেই সময়টা পার করছেন টাইগাররা সেটি বলায় যায় মুশফিকুর রহিমের অনুশীলনের ভিডিও দেখে। দলের সবচেয়ে কঠোর পরিশ্রমী টাইগার উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান রুমের মধ্যেই অনুশীলন করছেন। সম্প্রতি নিজের ফেইসবুক পেজে ৭ মিনিটের এক ভিডিও প্রকাশ করেছেন মুশফিক। সেখানেই কিভাবে অনুশীলন করছেন সেটি দেখা গেছে।

ক্রাইস্টচার্চে পা রাখার অল্প কয়েক ঘণ্টা পরই কোভিড-১৯-এর একদফা টেস্ট হয়েছে টাইগার ক্রিকেটারদের। আগামী পাঁচ দিনে (নিউজিল্যান্ডে পা রাখার পর থেকে ষষ্ঠ দিনে) আরো দুই দফা করোনা টেস্ট দিতে হবে তামিম, মুশফিক, রিয়াদদের। মানে এক সপ্তাহ পুরো হওয়ার আগেই ছয় দিনে তিনবার করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক।

বলার অপেক্ষা রাখে না, প্রতিটি ক্রিকেটারের ওই তিন টেস্টেই নেগেটিভ রিপোর্ট আসা জরুরি। ছয় দিনে তিনবার নেগেটিভ হলেই কেবল সপ্তম দিনে হোটেলে জিমওয়ার্ক করার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা এবং অষ্টম দিনের মাথায় অনুশীলন করার সুযোগও মিলবে।

তবে পুরো দল একসাথে নয়, পাঁচজন করে গ্রুপে ভাগ হয়ে প্র্যাকটিস করতে পারবেন ক্রিকেটাররা। তাতেও মিলছে না মুক্তি। ১২তম দিবসে গিয়ে চতুর্থবারের মতো করোনা টেস্ট দিতে হবে পুরো দলকে। সেই টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ হলেই ১৪ নম্বর দিন থেকে ফ্রি হয়ে যাবে পুরো দল। অর্থাৎ সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৯ মার্চ পুরো দল একসাথে প্র্যাকটিস করতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *