হ্যাল্যান্ড জাদুতে চার বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে ডর্টমুন্ড

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। শেষে ষোলোর দ্বিতীয় লেগে সেভিয়ার সাথে ২-২ গোলে ড্র করে (দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ গোলের অগ্রগামিতায়) শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে জার্মান দলটি।

বরুসিয়ার ঘরের মাঠ সিগনাল ইদুনা পার্কে শুরুটা অবশ্য ভালো করে সেভিয়া। প্রথমার্ধে আক্রমণ ও বল দখলে অনেকটা এগিয়ে থাকা দলটি চতুর্থ মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট নেয়। ডি-বক্সের বাইরে থেকে লুকাস ওকাম্পোসের শট পাঞ্চ করে ফেরান গোলরক্ষক।

২০তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল সফরকারীরা। এবার সুসোর শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।

৩৫তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগেই এগিয়ে যায় ডর্টমুন্ড। মাহমুদ দাহুদের থ্রু বল ডি-বক্সে পেয়ে মার্কো রয়েস পাস দেন ছয় গজ বক্সের সামনে। সহজেই ফাঁকা জালে বল পাঠান হ্যাল্যান্ড।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৬ ম্যাচে গোলের রেকর্ড গড়লেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা।

৫৪তম মিনিটে স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এই গোলের আগে এক দফা নাটক হয়ে যায় মাঠে। হ্যাল্যান্ড অনেকটা একক নৈপুণ্যে বল জালে পাঠালেও গোল মেলেনি, সেভিয়ার ডিফেন্ডার জুল কুইন্দি তাকে ফাউল করায় ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি দেন রেফারি।

প্রথমবার অবশ্য পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি হ্যাল্যান্ড। তার শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া ইয়াসিন বোনোর হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। কিন্তু সেভিয়া গোলরক্ষক আগেই লাইন থেকে সরে আসায় ভিএআরের সাহায্যে আবার পেনাল্টি দেন রেফারি। এবার আর ভুল করেননি হ্যাল্যান্ড।

৬৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান ইউসেফ এন-নেসিরি। ডি-বক্সে লুক ডি ইয়ং ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

যোগ করা সময়ে ইভান রাকিটিচের ক্রসে হেডে সমতা ফেরান তিনি। কিন্তু সফরকারীদের মাঠ ছাড়তে হয় ছিটকে পড়ার হতাশায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *