বাবরের ধীরগতির ফিফটির রেকর্ড; ১৪ ওভারেই পাকিস্তানকে হারাল আফ্রিকা

ক্রিকেট

নেই দলের মুল বোলার রাবাদা-ক্রিস মরিসরা। তাতে কি! তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েই বাজিমাত লিন্ডের। দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রোটিয়াদের এনে দিলেন দারুণ শুরু। এরপর কেবল লড়লেন বাবর আজম। কিন্তু লড়াই করে ফিফটি তুলে নিলেও নাম লেখালেন ধীরগতির ফিফটির রেকর্ডে। তাতেই পাকিস্তানকে অল্পতেই আটকে দিয়ে ৪ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা আনলো দক্ষিণ আফ্রিকা।


জোহানেসবার্গে সোমবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৪০ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ৬ উইকেটে। এইডেন মারক্রামের ঝড়ো ফিফটিতে ১৪১ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলে ৩৬ বল বাকি থাকতে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন ওপেনার এইডেন মার্করাম। দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন তিনি। ৩০ বলে ৭ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৪ রান করে উসমান কাদিরের বলে ফেরেন মার্করাম। এরপর অধিনায়ক ক্লাসেনের অপরাজিত ২১ বলে ৩৬ ও লিন্ডের অপরাজিত ১০ বলে ২০ রানে ১৪ ওভারেই জয় তুলে নে দক্ষিণ আফ্রিকা।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ১০ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় পাকিস্তান। মিডল অর্ডারে হাল ধরেন বাবর ও হাফিজ। কিন্তু দলীয় ৬৮ রানে ২৩ বলে ৩২ রান করে হাফিজের ফেরার পর কেউই তেমন বাবরকে সঙ্গ দিতে পারেননি।

লড়াই করে ৪৯ বলে ফিফটি তুলে নেন বাবর। যা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ধীরগতির ফিফটির রেকর্ড। এতেই ৯ উইকেটে ১৪০ রান করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে স্লোয়েস্ট ফিফটির রেকর্ড শোয়েব খানের। ২০০৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫৩ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৪০/৯(বাবর ৫০, হাফিজ ৩২; লিন্ডে ৩/২৩, উইলিয়ামস ৩/৩৫)

দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৪ ওভারে ১৪১/৪( মার্করাম ৫৪, ক্লাসেন ৩৬*; উসমান কাদির ২/২৬, হাসান আলি ১/১৬)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *