শেষ ৪ ওভারে ৭ উইকেট তুলে নিয়ে কোহলিদের অবিশ্বাস্য জয়; ইতিহাস গড়ল ব্যাঙ্গালোর

আইপিএল

চেন্নাইয়ের চিপকে আগের দিন প্রায় হেরে যাওয়া ম্যাচ যেন কলকাতার মুখ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে জয়ের আনন্দে মাঠেন রোহিত। ভারতের সহ অধিনায়কের কাছ থেকে যেন আজ শিক্ষা নিয়ে নেমেছিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাইতো ঠিক একই ভাবে এবার হায়দরাবাদের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিলেন ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক। হারতে বসা ম্যাচে অবিশ্বাস্য কামব্যাক করে ওয়ার্নারদের ৬ রানে হারিয়ে আইপিএল ইতিহাসে প্রথমবার নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জয়ের ইতিহাস গড়েছে কোহলির দল।


স্লো উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রান তুলতে কষ্টই হচ্ছিল কোহলিদের। শুরুতেই ১৩ বলে ১১ করে ফেরেন দেবদূত পাড্ডিকেল। আরেক ওপেনার অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৩৩ রান করতে বল খরচ করেন ২৯ টি। ৫ বলে ১ রান করে ফেরেন ডি ভিলিয়ার্স।

তবে দলের হয়ে একাই লড়েন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। অসাধারণ ব্যাটিং করে ৩৬ বলে তুলে নেন আইপিএলে নিজের সপ্তম ফিফটি। তার ৪১ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ বাউন্ডারিতে ৫৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ঋদ্ধিমান সাহা ফিরলেও দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে নিশ্চিত জয়ের দিকে নিয়ে যেতে থাকেন অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও মানিষ পান্ডে। ৩১ বলে এবারে আসরে প্রথম ফিফটিও তুলে নেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক। তবে এর পরই ৩৭ বলে ৫৪ রান করে ফেরেন তিনি।

তার ফেরার সময় জিততে ৪০ বলে হায়দরাবদের প্রয়োজন ছিল ৫১ রান। হাতে ছিল ৮ উইকেট। কিন্তু ইনিংসের ১৭ তম ওভারে চিত্র পাল্টে দেন শাহবাজ আহমেদ। সেই ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ফেরান বেয়ারস্টো, মানিষ পান্ডে ও সামাদ আহমেদকে। এরপর হোল্ডার-শঙ্কররা আর দাঁড়াতে পারেননি। রাশিদ খান ৯ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেললেও তাতে কেবল হারের ব্যবধানই কমেছে। শেষ পর্যন্ত শেষ ৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৯ উইকেটে ১৪৩ রানে থামে হায়দারাবাদের ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর: ২০ ওভারে ১৪৯/৮ (ম্যাক্সওয়েল ৫৯, কোহলি ৩৩; হোল্ডার ৩/৩০, রশিদ খান ২/১৮)

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ২০ ওভারে ১৪৩/৯ (ওয়ার্নার ৫৪, মানিষ পান্ডে ৩৮; শাহবাজ আহমেদ ৩/৭, হার্শাল প্যাটেল ২/২৫)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *