অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে আটকে দিয়ে শেষ চারে রিয়াল

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের বড় জয়ে সেমিতে ওঠার কাজটা অনেক সহজ করেই রেখেছিলো রিয়াল মাদ্রিদ। এবার লিভারপুলের মাঠে ড্র করে শেষ চারের টিকেটও বুঝে নিলো জিনেদিন জিদানের দল।

কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগ হয়েছে গোল শূন্য ড্র। ২০১৫-১৬ সালের পর প্রথমবার ইউরোপর সেরার মঞ্চে নক আউট পর্বের কোনো ম্যাচ গোল করতে ব্যর্থ হল রিয়াল মাদ্রিদ।

ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে ঘরের মাঠে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত লিভারপুল। সাদিও মানের কাছ থেকে বিপজ্জনক জায়গায় বল পান মোহাম্মদ সালাহ। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

একাদশ মিনিটে আবার সুযোগ আসে স্বাগতিকদের সামনে। এবার জেমস মিলনারের ক্রসবার ঘেঁষে আসা শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ব্যর্থ করে দেন রিয়াল গোলরক্ষক।

লিভারপুলের আক্রমণের ঝাপটা সামলে ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় রিয়াল। ম্যাচের গতি কমিয়ে রাখার দিকেই ছিল তাদের মনোযোগ। এর মধ্যেও সুযোগ পায় লিভারপুল। কিন্তু ফিনিশিংয়ে ব্যর্থতায় প্রথমার্ধে জালের দেখা পায়নি তারা। ৪০তম মিনিটে খুব ভালো জায়গা থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি সালাহ। পরের মিনিটে খুব কাছ থেকে উড়িয়ে মেরে সুযোগ হাতছাড়া করেন জর্জিনিয়ো ওয়াইনালডাম।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুণ সুযোগ পেয়ে যায় লিভারপুল। কিন্তু রবার্তো ফিরমিনো ও ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের ব্যর্থতায় কর্তোয়ার পরীক্ষাই নিতে পারেনি স্বাগতিকরা।

আক্রমণাত্মক ফুটবলে রিয়ালকে চেপে ধরে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু রক্ষণ জমাট করে প্রতি আক্রমণের কৌশল নেয় সফরকারীরা। ৬৬তম মিনিটে প্রায় এগিয়েই যাচ্ছিল তারা। অনেকটা এগিয়ে ভিনিসিউস জুনিয়রের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়ার পর বেনজেমাকেও হতাশ করেন লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসন।

অনেকটা সময় রিয়ালের অর্ধেই ছিলেন ২১ জন। তবে চাপের মধ্যেও ভেঙে পড়েনি স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। ঠাণ্ডা মাথায় সামাল দিয়েছে সব আক্রমণ। জায়গা করে নিয়েছে শেষ চারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *