চরম দুর্ভোগে পড়ে বাংলাদেশিদের কাছে সাহায্য চাইলেন কাসরিক উইলিয়ামস (ভিডিও)

বাংলাদেশ ক্রিকেট

হঠাৎ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের ছোট দ্বীপ দেশ সেন্ট ভিনসেন্ট। সেখানে এখন পরিষ্কার ও খাবার পানিই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হাজার হাজার মানুষ বাসস্থানও হারিয়েছেন। দ্বীপটির মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সাহায্য চেয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার কেসরিক উইলিয়ামস।

গত ৯ এপ্রিল লা সোফখিয়েহ আগ্নেয়গিরিতে প্রথমবারের মতো অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। তারপরে আরও বেশ কয়েকবার হয়েছে। ফলে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ সেনগ ভিনসেন্ট একপ্রকার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এই দ্বীপের অভিবাসীদের এখন খাবার পানির অভাব, ফসল নষ্টের সাথে সাথে বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে সালফারের গন্ধ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন আরও কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত এই পরিস্থিতি চলতে পারে।

এদিকে নিজ জন্মভূমির এই দুর্দিনের ক্যারিবিয়ান পেসার কেসরিক উইলিয়ামস। যে কিনা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলে খেলছেন। (রাজশাহী কিংস ও সবশেষ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে)। সেই সূত্র ধরে বাংলাদেশের সাহায্য প্রার্থনা করেছেন এই পেসার।

ভিডিও বার্তায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘সেইন্ট ভিনসেন্টে কোনো পরিষ্কার পানি নেই। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট ভিনসেন্টে যেটা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে সম্পূর্ণ সেন্ট ভিনসেন্ট পরিষ্কার পানি শূন্য হয়ে পড়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর হারিয়েছে। আমরা তাদের জন্য প্রার্থনা করি এবং নিকটবর্তী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই তাদেরকে সাহায্য করার জন্য। আমাদের কেসরিক উইলিয়ামসও সেন্ট ভিনসেন্টের এবং সে মানুষকে যথাসাধ্য সাহায্য করার চেষ্টা করছে।’

ভিডিও বার্তায় উইলিয়ামস আরো বলেছেন, ‘ওহে, আমি আপনাদেরই কেসরিক উইলিয়ামস। আশা করি এতক্ষণে বিশ্ব জেনে গিয়েছে যে আমাদের দ্বীপে এক অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছে যা সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে। বর্তমানে দেশে পরিষ্কার পানির অভাব। আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা (সাহায্যের) করছি, তবে আমি একা খুবই অল্প করতে পারব।’

এই ক্রিকেটার আরো বলেন, ‘আমি বাংলাদেশিদেরকে অনুরোধ করছি, আপনি যদি আমাদের সাহায্য করতে চান তাহলে দয়া করে সাঈদের সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি নিজেও আমাকে সাহায্য করছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *