অক্সিজেন কিনতে ভারতকে ৫০ হাজার ডলার দান করলেন প্যাট কামিন্স

অন্যান্য খবর

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। দৈনিক মৃ’তের সংখ্যাও বাড়ছে। গোটা ভারতে চলছে অক্সজেনের হাহাকার। হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের অভাবে কোভিড রোগীর মৃ’ত্যু ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন অসি পেসার ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের সদস্য প্যাট কামিন্স। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ‘‌পিএম কেয়ার্স ফান্ড’‌ এ ৫০ হাজার ডলার দান করলেন অক্সিজেন কেনার জন্য। এমনকি সতীর্থদের কাছেও তিনি আবেদন রেখেছেন এই কঠিন সময়ে এগিয়ে আসার জন্য।


এক বিবৃতিতে কামিন্স বলেছেন, ‘‌ভারতে অনেকদিন ধরতে খেলতে আসছি। এই দেশটাকে ভালবেসে ফেলেছি। তাই করোনা সংক্রমণে এই দেশ যখন কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কোথাও কোথাও লকডাউন হয়েছে। আইপিএল বাতিল করার কথাও শুনছি। কিন্তু আমি ভারতীয় সরকারের কাছে আবেদন করব, টুর্নামেন্ট যেন বন্ধ না হয়। লকডাউনে ঘরবন্দি থাকতে থাকতে খেলা দেখলে মানুষজন আনন্দ পাবেন। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার হিসেবে আমাদেরও কিছু দায়বদ্ধতা আছে। তাই আমি ‘‌পিএম কেয়ার্স ফান্ড এ সামান্য কিছু দান করলাম। যাতে অক্সিজেন কেনা যায়। আমি সতীর্থ ক্রিকেটারদেরও অনুরোধ করব এগিয়ে আসার জন্য।’‌

এদিকে কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে আইপিএলও। রবিবারের ম্যাচের পরেই অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারও ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে দেশে পাড়ি দিয়েছেন। তবে সমালোচনা এবং প্রশ্ন উঠলেও ভারতীয় বোর্ড জানিয়ে দিল, খেলা হবে।

বিসিসিআই জানিয়েছে, যাঁরা চলে যেতে চান তাঁদের আটকানো হবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তা সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘‌এখনও পর্যন্ত যা খবর, আইপিএল চলবেই। তবে কেউ চলে যেতে চাইলে কোনও সমস্যা নেই। তাঁকে আটকানো হবে না।’‌

কোভিড আতঙ্কে যে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা ভুগছেন তা মেনে নিয়েছেন কেকেআরের সহকারী কোচ ডেভিড হাসি। তিনি বলেছেন, ‘‌অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে পারবে কি না সেটা ভেবে প্রত্যেকেই কমবেশি চিন্তিত। অন্যান্য দলের অস্ট্রেলীয়দের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা যে একই, এটাও আমি জোর দিয়ে বলতে পারি। তাই আমার মনে হয়, একটি চার্টার্ড বিমানে করে হয়তো প্রতিযোগিতার শেষে সমস্ত ক্রিকেটার এবং কোচেদের ফেরত নিয়ে যাওয়া হতে পারে।’‌

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *