বাংলাদেশ সিরিজের পরই একযোগে অবসরে যাবেন লঙ্কান ক্রিকেটাররা!

ক্রিকেট

গেল মাসে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার টেস্ট সিরিজ চলাকালীন সময়েই লঙ্কান ক্রিকেটার ও বোর্ডের মধ্যে চলছিল ঝামেলা। বেতন কমিয়ে দিয়ে চুক্তিপত্রে সই করতে বললে তাতে সাড়া দেয়নি ক্রিকেটাররা। পারফরম্যান্সভিত্তিক চুক্তিতে নতুন পয়েন্ট পদ্ধতি পরিষ্কার না করলে অবসরের হুমকি দিয়েছেন কয়েকজন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কার দ্য সানডে টাইমস পত্রিকা এমন খবরই দিয়েছে।


বর্তমানে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আছে শ্রীলঙ্কা দল। তবে বাংলাদেশ সফরে ওয়ানডে সিরিজের আগে দলেও এসেছে ব্যাপক রদবদল। ২০২৩ বিশ্বকাপের যুক্তি দেখিয়ে ওয়ানডে দল থেকে ছাঁটাই হয়েছে দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। এরসঙ্গে কমিয়ে দেয়া হয়েছে তাদের বেতনও।

এতসব অভিযোগ সামনে আসলেও লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের যেন মাথাব্যথা নেই। এত ঝামেলার মধ্যে শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া মন্ত্রীর নিয়োগ দেয়া ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ব্যবস্থাপনা কমিটি’র পাঁচ সদস্যের একজন অ্যাশলি ডি সিলভা লঙ্কান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সে মোতাবেক চুক্তিতে সই করার জন্য ক্রিকেটারদের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে মে মাসের শেষ পর্যন্ত।

দুই পক্ষের বনিবনা না হওয়ায় খেলোয়াড়রা আইনজীবী নিয়োগ করেছে। এ নিয়ে আইনজীবী নিশান সিডনি প্রেমাথিরত্নে সানডে টাইমসকে বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের প্রত্যেকের ধারণাটা সঠিক যে তাদের র‍্যাঙ্কিংয়ের ভাগের ক্ষেত্রে পয়েন্ট কীভাবে ঠিক করা হচ্ছে, সেটা জানার অধিকার তাঁদের আছে।’

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসএলসির এক কর্মকর্তা দ্য সানডে টাইমসকে বলেছেন, ‘শুধু অভিজ্ঞতা কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ওপর ভিত্তি করে আর চুক্তি দেবে না এসএলসি। নতুন চুক্তিতে শুধু বিবেচনা করা হবে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স।’

এদিকে অ্যাশলি ডি সিলভা আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সফরে খেলোয়াড়েরা এসেছে সফর ভিত্তিক চুক্তিতে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে অল-রাউন্ডার ম্যাথিউস। তার ৫০ হাজার ডলার কমে দাঁড়াচ্ছে ৮০ হাজার ডলারের চুক্তিতে। সুরঙ্গা লাকমলেরও ১ লাখ থেকে কমানো হয়েছে ৪৫ হাজার ডলার।

এদিকে গতমাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের তিন ইনিংসে একটি ডাবল সেঞ্চুরি ও এক সেঞ্চুরি মিলে ৪২৭ রান করা করুণারত্নেকেও রাখা হয়নি ওয়ানডের নেতৃত্বে। তারও কমেছে ১ লাখ থেকে ৩০ হাজার ডলার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *